এটাকে Capgras delusion ও বলা হয়। এটি মূলত Schizophrenia বা
Alzheimer's syndrome র সঙ্গে সম্পর্কিত। এই রোগে মূলত রোগীর কাছে যে আছে তাকে তার অচেনা মনে হয়। ধরুন আপনি এবং আপনার স্ত্রী পাশাপাশি ঘুমালেন। কিন্তু সকালে উঠে আপনার মনে হল আপনি অচেনা কারো পাশে ঘুমিয়ে আছেন। এই রোগলক্ষণ রাতারাতি প্রকাশ পেতেই পারে। তবে এই রোগের প্রকৃত কারণ কোনো কালেই জানা যায় নি। এখনও এটি গবেষণাধীন। ক্যাপগ্রাস সিন্ড্রোমের সবচেয়ে বড় সমস্যা এই রোগটি হঠাৎই প্রকোট হয়। যদিও বা এখনও অব্দি মনে করা হয় মানুষের সবচেয়ে জটিল অঙ্গ মস্তিষ্কের কিছু সমস্যার কারণে এই রোগ হয়। যেমন মস্তিষ্ক আহত হলে, কিংবা Atrophy, lesions & cerebral dysfunctions এর জন্যে দায়ী। অনেক সময় অনেক মেডিসিনের প্রভাবেও এই রোগ হয়।
প্রতিটি সাইকোলজিক্যাল ডিস অর্ডারের মত এটিরও কোনো স্থায়ী চিকিৎসার সন্ধান পাওয়া যায় নি। তবে কিছু ট্রিটমেন্ট দ্বারা এর রোগ কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রনে রাখা সম্ভব এবং বিস্মরণ থেকে বের করে তাকে সুস্থ জীবন দেওয়া সম্ভব। এছাড়া এরকম আরো বহু সাইকোলিক্যাল ডিস অর্ডার বর্তমান। যেমন তার মধ্যে একটি হল Cotard syndrome. এই রোগ লক্ষণে আক্রান্ত ব্যক্তির মনে হয় সে বেঁচেই নেই। তার কোনো অস্তিস্ত্বই নেই এই জগতে। কিছু সাইকোলজিক্যাল জার্নালে জানা যায় এই রোগে আক্রান্ত কিছু ব্যক্তি নিজের নামেই থানায় এফ আই আর লেখাতে গিয়েছিল নিজেকে হত্যা করার জন্যে।
Alzheimer's syndrome র সঙ্গে সম্পর্কিত। এই রোগে মূলত রোগীর কাছে যে আছে তাকে তার অচেনা মনে হয়। ধরুন আপনি এবং আপনার স্ত্রী পাশাপাশি ঘুমালেন। কিন্তু সকালে উঠে আপনার মনে হল আপনি অচেনা কারো পাশে ঘুমিয়ে আছেন। এই রোগলক্ষণ রাতারাতি প্রকাশ পেতেই পারে। তবে এই রোগের প্রকৃত কারণ কোনো কালেই জানা যায় নি। এখনও এটি গবেষণাধীন। ক্যাপগ্রাস সিন্ড্রোমের সবচেয়ে বড় সমস্যা এই রোগটি হঠাৎই প্রকোট হয়। যদিও বা এখনও অব্দি মনে করা হয় মানুষের সবচেয়ে জটিল অঙ্গ মস্তিষ্কের কিছু সমস্যার কারণে এই রোগ হয়। যেমন মস্তিষ্ক আহত হলে, কিংবা Atrophy, lesions & cerebral dysfunctions এর জন্যে দায়ী। অনেক সময় অনেক মেডিসিনের প্রভাবেও এই রোগ হয়।
প্রতিটি সাইকোলজিক্যাল ডিস অর্ডারের মত এটিরও কোনো স্থায়ী চিকিৎসার সন্ধান পাওয়া যায় নি। তবে কিছু ট্রিটমেন্ট দ্বারা এর রোগ কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রনে রাখা সম্ভব এবং বিস্মরণ থেকে বের করে তাকে সুস্থ জীবন দেওয়া সম্ভব। এছাড়া এরকম আরো বহু সাইকোলিক্যাল ডিস অর্ডার বর্তমান। যেমন তার মধ্যে একটি হল Cotard syndrome. এই রোগ লক্ষণে আক্রান্ত ব্যক্তির মনে হয় সে বেঁচেই নেই। তার কোনো অস্তিস্ত্বই নেই এই জগতে। কিছু সাইকোলজিক্যাল জার্নালে জানা যায় এই রোগে আক্রান্ত কিছু ব্যক্তি নিজের নামেই থানায় এফ আই আর লেখাতে গিয়েছিল নিজেকে হত্যা করার জন্যে।

No comments:
Post a Comment