এটি একটি মেয়েই পোস্ট করেছে। কিন্তু আমাদের সংবিধানে নারীর অধিকার দিয়ে
বলা হয়েছে একটি মেয়ে সে যদি বেশ্যাবৃত্তি করেও দিন গুজরান করে তাকে ধর্ষণ করার অধিকার কারো নেই। তাই সম্পূর্ণ অধিকার আছে সেই একটি ব্যক্তিকে না বলার যার সাথে সে সঙ্গমে রত হতে চায় না। যে ব্যক্তির সাথে সে শয্যাসঙ্গ করতে চায় না, সেই ব্যক্তি যদি তাকে জোর করে তার শরীর ভোগ করে সেই মহিলাটিও ধর্ষণের কেস ফাইল করতে পারবে লোকটির বিরুদ্ধে।
আমাদের সংবিধানে নারী পুরুষের অধিকার সম্পর্কিত যে পয়েন্টগুলো আছে তার মধ্যে এগুলো খুব ভালো করে মেনশন করা। শুধুমাত্র এখানেই শেষ নয়। বিয়ের পরে ফুলশয্যার রাতে স্ত্রী যদি তার স্বামীকে শারীরিক সম্পর্কে সম্মতি না দেয় এবং স্বামীটি তাকে জোর করে ভোগ করে স্ত্রী সেক্ষেত্রেও ধর্ষণ কেস ফাইল করতে পারে। আমাদের দেশের আইন স্ত্রীর পাশে সবসময় থাকবে। কারণ আমাদের দেশের আইনে কোথাও বলা নেই বিয়ে মানেই শরীর ভোগের লাইন্সেস পাওয়া যাবে। আরেকটু জানিয়ে রাখি? বৈবাহিক ধর্ষণ নারী ও পুরুষ উভয়েই ফাইল করতে পারেন।
এবার আসি পরবর্তী কথায়। শব্দটা যখন ধর্ষণ তখন এটিকে বিশ্লেষণ করে বলাই উচিৎ। আমাদের দেশে প্রতি দুসেকেন্ডে ৬ জন নারী জাতির মানুষ ধর্ষিতা। মানে প্রতি দুসেকেন্ডে দেশের কোনো না কোনো প্রান্তে কোনো না কোনো নারীলিঙ্গের মানুষ তার বয়স যাই হোক না কেন সে ধর্ষিতা হয়। হয়ত আমি এখানে টাইপ করছি, আর এই টাইপ শেষ হতে হতেই হয়ত আরো কিছু জায়গায় কিছু নারী ধর্ষিতা হয়ে গেছে এবং সে খবর আমাদের কাছে এখনও পৌঁছায় নি।
আপনাদের জ্ঞাতার্থে জানিয়ে রাখি, এই ধর্ষিতার তকমা পাওয়া নারীলিঙ্গের মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ধর্ষিতা হয়, সদ্যোজাত থেকে কিশোরী মেয়েরা। এটা আমি নয় ন্যাশনাল ক্রাইম রিপোর্ট ব্যুরো বলেছে তাদের রিপোর্টে। প্রতি ক্ষেত্রেই তারা তাদের পরিচিত মহল বা আত্মীয়দের দ্বারা ধর্ষিতা হয়। এবং সামাজিক চাপে তাদের পরিবার তাদের চুপ থাকতে বাধ্য করে।
এবার আসি যুবতীদের কথায়। শিক্ষিতা শহরের যুবতীরা ধর্ষিতা হলে খবরে জানা যায়। কিন্তু গ্রামের স্বল্পশিক্ষিতা বা নিরক্ষর যুবতী ধর্ষিতা হলে তাদের রেপ কেস কারো সামনে আসে না। ভারতের কিছু প্রত্যন্ত এলাকায় এখনও ধর্ষণটা প্রথাগত পর্যায়ে পড়ে। আঁতকে উঠবেন না। খুব শীঘ্রই জানতে পারবেন কোথায় কোথায় ধর্ষণ একটি প্রথা। কিছু প্রত্যন্ত গ্রামের আদিবাসী সম্প্রদায় ধর্ষিতা মেয়েকে জ্যান্ত পুড়িয়ে দেয় কারণ তাদের প্রধানদের মতে ধর্ষিতা নারী তাদের সম্প্রদায়ের জন্যে অভিশাপ। যারা ধর্ষিতার পোশাক তত্ত্ব দাঁড় করায় তারা বোধ হয় জানে না গ্রামের স্বল্পশিক্ষিত নিরক্ষর মেয়েরা শাড়ি চুড়িদার ছাড়া আর কিছুই পরে না।
কিছুবছর আগে আমাদের পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়াতে একটি মেয়ে উঁচুজাতের ছেলের সাথে প্রেম করেছিল বলে সালিশী সভায় তাকে ধর্ষণের বিধান দেওয়া হয়। বিধানে বলা হয়েছিল মেয়েটি নগ্ন হয়ে যেই যেই গ্রামের ওপর দিয়ে দৌড়ে যাবে সেই গ্রামের প্রতিটা পুরুষ তাকে ধর্ষণ করবে। সত্তর জন পুরুষ এই বিধান মেনে ছিড়ে খেয়েছিল তাকে। মেয়েটা জীবনে চুড়িদার ছাড়া কিছুই পরে নি।
একজন বহুগামী নারীও কখনো স্বেচ্ছায় ধর্ষিতা হতে চায় না। যে মেয়ে বারবার প্রেমিক পরিবর্তন করছে সে মেয়েটিও চায় না তাকে কেউ তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে ছিড়ে খাক। কোনো নারী তা সে যতখানিই দুশ্চরিত্রা হোক না কেন তার জন্যে কখনো ধর্ষণ বিধান হতে পারে না। ধর্ষণ একটি পৈশাচিক ঘটনা। কোনো নারীকে বা পুরুষকে তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে জোর করে ভোগ করা যায় না। কোনো নারী বা পুরুষের সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে হলে তারও অনুমতি প্রয়োজন। অন্যথায় সেটা ধর্ষপণ বলে গণ্য হবে।
কেউ আপনাকে প্রেমে প্রতারণা করল বলে আপনি ফেবুতে পোস্টালেন আপনার মানসিক ধর্ষণ হয়েছে। লোকে বলল, "এ ত এক্কেবারে মনের কতা"। তো আপনাদের জানিয়ে রাখি এই কাজের জন্যে আপনার জেলও হতে পারে। কারণ মানসিক ধর্ষণ বলে কিছু হয়। ধর্ষণ মানে যৌন আক্রমন। যতক্ষণ না কোনো ব্যক্তি আপনাকে যৌন আক্রমণ করবে ততক্ষণ কোনো ভাবেই আপনি ধর্ষিতা বা ধর্ষিত হতে পারেন না। আপনার বা আপনার প্রেমিকের বা প্রেমিকার মনে কখনো যোনি বা লিঙ্গ থাকে না। ওগুলো যেখানে থাকার সেখানেই থাকে।
মাথায় ঢুকিয়ে নিন ভালো থাকুক। ফুটেজ খেতে ধর্ষণের মত পাশবিকতাকে নিয়ে ছেলেখেলা করবেন না৷ কারণ কোনদিন নিজের বাড়ির কারো সাথে হয়ে গেলে সেদিন কাউকে পাশে পাবেন না।
ও হ্যা আরেকটা কথা। নেশাখোর সব মানুষই যে চরিত্রহীন এই তকমাটা এবার দয়া করে ছাড়ুন৷ অধিকাংশ শিক্ষিত ছেলেরাই আজকাল সপ্তাহে একদিন হলেও মদ্যপান করে। আমার কত পরিচিতরাই করে। সবাই তাবলে ধর্ষণ করে বেরাচ্ছে না। নেশা করলেই কারো ধর্ষণ করতে ইচ্ছে করে তা আমি অন্ততপক্ষে আমার জীবদ্দশায় শুনি নি। নেশা করে ড্রেনে র পাশে পড়ে যেতে বহুবার দেখেছি অনেককে। নেশা করলেই যদি সে ধর্ষক হত সব থেকে বেশি ধর্ষক ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকেই বেরোত। অধিকাংশই নেশা করে। সেটা যখন হয় না তখন বুঝে নিন নেশার সাথে ধর্ষণের কোনো সম্পর্ক নেই। নেশা করে বলে সে মেয়েদের গায়ে হাত দিচ্ছে ব্যপারটা তেমন নয়। সে নেশাগ্রস্ত হওয়ার মুখোশ পরে মেয়েটার গায়ে হাত দিচ্ছে। সে সুস্থ থাকলেও মেয়েদের গায়ে একইভাবে হাত দেবে। কারণ সে নোংরা মানসিকতার।
নেশা করা পুরুষ আর ধর্ষক আলাদা৷ আরেকটা কথা বলি? ধর্ষক কখনো পুরুষ হয় না। ধর্ষক পিশাচ হয়৷ আর হ্যা বাংলায় বড্ড অপগন্ড এই পোস্ট কারী। নেশাযুক্ত বলে বাংলায় কোনো কথা নেই। ওটা হয় নেশাগ্রস্ত।
© স্বাতী বোল
বলা হয়েছে একটি মেয়ে সে যদি বেশ্যাবৃত্তি করেও দিন গুজরান করে তাকে ধর্ষণ করার অধিকার কারো নেই। তাই সম্পূর্ণ অধিকার আছে সেই একটি ব্যক্তিকে না বলার যার সাথে সে সঙ্গমে রত হতে চায় না। যে ব্যক্তির সাথে সে শয্যাসঙ্গ করতে চায় না, সেই ব্যক্তি যদি তাকে জোর করে তার শরীর ভোগ করে সেই মহিলাটিও ধর্ষণের কেস ফাইল করতে পারবে লোকটির বিরুদ্ধে।
আমাদের সংবিধানে নারী পুরুষের অধিকার সম্পর্কিত যে পয়েন্টগুলো আছে তার মধ্যে এগুলো খুব ভালো করে মেনশন করা। শুধুমাত্র এখানেই শেষ নয়। বিয়ের পরে ফুলশয্যার রাতে স্ত্রী যদি তার স্বামীকে শারীরিক সম্পর্কে সম্মতি না দেয় এবং স্বামীটি তাকে জোর করে ভোগ করে স্ত্রী সেক্ষেত্রেও ধর্ষণ কেস ফাইল করতে পারে। আমাদের দেশের আইন স্ত্রীর পাশে সবসময় থাকবে। কারণ আমাদের দেশের আইনে কোথাও বলা নেই বিয়ে মানেই শরীর ভোগের লাইন্সেস পাওয়া যাবে। আরেকটু জানিয়ে রাখি? বৈবাহিক ধর্ষণ নারী ও পুরুষ উভয়েই ফাইল করতে পারেন।
এবার আসি পরবর্তী কথায়। শব্দটা যখন ধর্ষণ তখন এটিকে বিশ্লেষণ করে বলাই উচিৎ। আমাদের দেশে প্রতি দুসেকেন্ডে ৬ জন নারী জাতির মানুষ ধর্ষিতা। মানে প্রতি দুসেকেন্ডে দেশের কোনো না কোনো প্রান্তে কোনো না কোনো নারীলিঙ্গের মানুষ তার বয়স যাই হোক না কেন সে ধর্ষিতা হয়। হয়ত আমি এখানে টাইপ করছি, আর এই টাইপ শেষ হতে হতেই হয়ত আরো কিছু জায়গায় কিছু নারী ধর্ষিতা হয়ে গেছে এবং সে খবর আমাদের কাছে এখনও পৌঁছায় নি।
আপনাদের জ্ঞাতার্থে জানিয়ে রাখি, এই ধর্ষিতার তকমা পাওয়া নারীলিঙ্গের মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ধর্ষিতা হয়, সদ্যোজাত থেকে কিশোরী মেয়েরা। এটা আমি নয় ন্যাশনাল ক্রাইম রিপোর্ট ব্যুরো বলেছে তাদের রিপোর্টে। প্রতি ক্ষেত্রেই তারা তাদের পরিচিত মহল বা আত্মীয়দের দ্বারা ধর্ষিতা হয়। এবং সামাজিক চাপে তাদের পরিবার তাদের চুপ থাকতে বাধ্য করে।
এবার আসি যুবতীদের কথায়। শিক্ষিতা শহরের যুবতীরা ধর্ষিতা হলে খবরে জানা যায়। কিন্তু গ্রামের স্বল্পশিক্ষিতা বা নিরক্ষর যুবতী ধর্ষিতা হলে তাদের রেপ কেস কারো সামনে আসে না। ভারতের কিছু প্রত্যন্ত এলাকায় এখনও ধর্ষণটা প্রথাগত পর্যায়ে পড়ে। আঁতকে উঠবেন না। খুব শীঘ্রই জানতে পারবেন কোথায় কোথায় ধর্ষণ একটি প্রথা। কিছু প্রত্যন্ত গ্রামের আদিবাসী সম্প্রদায় ধর্ষিতা মেয়েকে জ্যান্ত পুড়িয়ে দেয় কারণ তাদের প্রধানদের মতে ধর্ষিতা নারী তাদের সম্প্রদায়ের জন্যে অভিশাপ। যারা ধর্ষিতার পোশাক তত্ত্ব দাঁড় করায় তারা বোধ হয় জানে না গ্রামের স্বল্পশিক্ষিত নিরক্ষর মেয়েরা শাড়ি চুড়িদার ছাড়া আর কিছুই পরে না।
কিছুবছর আগে আমাদের পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়াতে একটি মেয়ে উঁচুজাতের ছেলের সাথে প্রেম করেছিল বলে সালিশী সভায় তাকে ধর্ষণের বিধান দেওয়া হয়। বিধানে বলা হয়েছিল মেয়েটি নগ্ন হয়ে যেই যেই গ্রামের ওপর দিয়ে দৌড়ে যাবে সেই গ্রামের প্রতিটা পুরুষ তাকে ধর্ষণ করবে। সত্তর জন পুরুষ এই বিধান মেনে ছিড়ে খেয়েছিল তাকে। মেয়েটা জীবনে চুড়িদার ছাড়া কিছুই পরে নি।
একজন বহুগামী নারীও কখনো স্বেচ্ছায় ধর্ষিতা হতে চায় না। যে মেয়ে বারবার প্রেমিক পরিবর্তন করছে সে মেয়েটিও চায় না তাকে কেউ তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে ছিড়ে খাক। কোনো নারী তা সে যতখানিই দুশ্চরিত্রা হোক না কেন তার জন্যে কখনো ধর্ষণ বিধান হতে পারে না। ধর্ষণ একটি পৈশাচিক ঘটনা। কোনো নারীকে বা পুরুষকে তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে জোর করে ভোগ করা যায় না। কোনো নারী বা পুরুষের সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে হলে তারও অনুমতি প্রয়োজন। অন্যথায় সেটা ধর্ষপণ বলে গণ্য হবে।
কেউ আপনাকে প্রেমে প্রতারণা করল বলে আপনি ফেবুতে পোস্টালেন আপনার মানসিক ধর্ষণ হয়েছে। লোকে বলল, "এ ত এক্কেবারে মনের কতা"। তো আপনাদের জানিয়ে রাখি এই কাজের জন্যে আপনার জেলও হতে পারে। কারণ মানসিক ধর্ষণ বলে কিছু হয়। ধর্ষণ মানে যৌন আক্রমন। যতক্ষণ না কোনো ব্যক্তি আপনাকে যৌন আক্রমণ করবে ততক্ষণ কোনো ভাবেই আপনি ধর্ষিতা বা ধর্ষিত হতে পারেন না। আপনার বা আপনার প্রেমিকের বা প্রেমিকার মনে কখনো যোনি বা লিঙ্গ থাকে না। ওগুলো যেখানে থাকার সেখানেই থাকে।
মাথায় ঢুকিয়ে নিন ভালো থাকুক। ফুটেজ খেতে ধর্ষণের মত পাশবিকতাকে নিয়ে ছেলেখেলা করবেন না৷ কারণ কোনদিন নিজের বাড়ির কারো সাথে হয়ে গেলে সেদিন কাউকে পাশে পাবেন না।
ও হ্যা আরেকটা কথা। নেশাখোর সব মানুষই যে চরিত্রহীন এই তকমাটা এবার দয়া করে ছাড়ুন৷ অধিকাংশ শিক্ষিত ছেলেরাই আজকাল সপ্তাহে একদিন হলেও মদ্যপান করে। আমার কত পরিচিতরাই করে। সবাই তাবলে ধর্ষণ করে বেরাচ্ছে না। নেশা করলেই কারো ধর্ষণ করতে ইচ্ছে করে তা আমি অন্ততপক্ষে আমার জীবদ্দশায় শুনি নি। নেশা করে ড্রেনে র পাশে পড়ে যেতে বহুবার দেখেছি অনেককে। নেশা করলেই যদি সে ধর্ষক হত সব থেকে বেশি ধর্ষক ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকেই বেরোত। অধিকাংশই নেশা করে। সেটা যখন হয় না তখন বুঝে নিন নেশার সাথে ধর্ষণের কোনো সম্পর্ক নেই। নেশা করে বলে সে মেয়েদের গায়ে হাত দিচ্ছে ব্যপারটা তেমন নয়। সে নেশাগ্রস্ত হওয়ার মুখোশ পরে মেয়েটার গায়ে হাত দিচ্ছে। সে সুস্থ থাকলেও মেয়েদের গায়ে একইভাবে হাত দেবে। কারণ সে নোংরা মানসিকতার।
নেশা করা পুরুষ আর ধর্ষক আলাদা৷ আরেকটা কথা বলি? ধর্ষক কখনো পুরুষ হয় না। ধর্ষক পিশাচ হয়৷ আর হ্যা বাংলায় বড্ড অপগন্ড এই পোস্ট কারী। নেশাযুক্ত বলে বাংলায় কোনো কথা নেই। ওটা হয় নেশাগ্রস্ত।
© স্বাতী বোল

No comments:
Post a Comment