ছবিটি দেখে আমি নারী হিসেবে অপমানিত হলাম। বড্ড বেশি অপমানিত হলাম। আমার দৃষ্টিকটু লাগল সাংঘাতিক। আমার মনে হল এই কাজটি করে আদতে আমাদের ছোট করা হল। আমাদের প্রতিমাসের যন্ত্রণাকে ছোট করা হল।
ছেলেদের পিরিয়ড হয়? রিয়েলি? ওম্যান্স ডে এভাবে নয় অন্য ভাবেও সেলিব্রেট করা যায়। কোনো দাগই ভালো হয়। তেমনই অপবিত্র নয়। তার জন্যে প্যান্টে দাগ লাগিয়ে ঘোরার কোনো মানে নেই। পুরুষের পিরিয়ড হয় না যেমনটা নারীদের নাইট ফলস হয় না৷ পুরুষের যেমন ডিম্বাশয় নেই তেমনি নারীর শুক্রাশয় নেই। তাহলে এই ধরনের ছবি ক্লিক করিয়ে আমাদের নারীত্বে আঘাত করা কেন? বায়োলজিক্যালি সবাই আলাদা৷ এবার কি ছেলেরা প্যাড পরে প্যাড বিপ্লব করবে? এতে আমি একজন গর্বিত নারী হিসেবে অপমানিত হলাম। বড্ড বেশি অপমানিত হলাম। আমাদের ছোট করে দেখিয়ে আমাদের প্রতিমাসের শারীরিক কষ্টকে খিল্লির পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হল যা আমি মানতে পারলাম না। এভাবে প্যান্টে রং লাগিয়ে মেয়েদের অপমানটা না করলেই হত। আমরা জানি আমরা স্ট্রং, আমরা জানি আমরা লড়তে পারি, আমরা জানি আমাদের কিভাবে প্রতিবন্ধকতার মোকাবিলা করতে হবে, আমরা জানি আমরা বোঝাতে পারি রক্তের দাগ দেখে হাসার কিছু নেই। কেউ হাসলে আমরা কষিয়ে চড় মারতে পারি। আজকাল অনেক দোকানে স্যানিটারি ন্যাপকিন কালো প্যাকেটে মুড়ে দেওয়া হয় না। আজকাল কোনো শপিং মলেই কালো প্যাকেটে মুড়ে ন্যাপকিন দেওয়া নেই। ওপেন রাখা থাকে এবং সেখান থেকেই মেয়েরা কিনে নেয়। তারপরেও প্যান্টে এরকম আর্টিফিশিয়াল রং লাগিয়ে আমাদের অপমান কেন? কি প্রমাণ করার চেষ্টা হল এতে? পিরিয়ডের যন্ত্রনা খুব সোজা? প্রতিমাসের PMS সহ্য করা খুব সোজা? প্রতিমাসে পিরিয়ডের গন্ধ সহ্য করতে না পারা খুব সোজা? এভাবে নারীদিবস পালনে আমি সত্যিই অপমানিত হলাম। আপনারা যতই কমেন্ট জক্সে বিদ্রুপ করুন অপমানিত হওয়া নিয়ে আমি এবার সত্যিই ব্যথিত কারণ মেয়ে হিসেবে এই ধরনের পোস্ট আমি ডিজার্ভ করি না।
প্রতিবাদ করতে হলে কোনো মেয়ের প্যান্টেই দাগ লাগাত। একটার জায়গা দুটো মেয়ের প্যান্টে দাগ লাগানো যেত। কিন্তু পুরুষের প্যান্টে কেন? মেসেজ তো এভাবেও দেওয়া যেত যে কেউ হাসছে তাকে মেয়েটা দাগ নিয়ে উঠে গিয়ে মেরে দিল। Women Empowerment
এভাবে দেখানো হোক। সবসময় কেন মেয়েদের সহানূভূতির জায়গা রাখা হবে? আমরা সমানাধিকার চেয়েছি ভিক্ষা না। আমাদের ভিক্ষা বা সহানূভূতির জায়গায় রাখবেন না। রাখতে হলে সমানাধিকার দিয়ে সম্মানে রাখুন। আমরা এতটাও করুণার পাত্রী না যে এই ঠুনকো সহানূভূতির প্রয়োজন হবে আমাদের।
প্যান্টে দু বোতল রং ঢেলে মেয়েদের পিরিয়ডকে সম্মান না করে অপমান করে একটা গোটা জেন্ডারকে লোকটা অপমান করেছে। এদের এত সাহস হয় কিভাবে?
ছেলেদের পিরিয়ড হয়? রিয়েলি? ওম্যান্স ডে এভাবে নয় অন্য ভাবেও সেলিব্রেট করা যায়। কোনো দাগই ভালো হয়। তেমনই অপবিত্র নয়। তার জন্যে প্যান্টে দাগ লাগিয়ে ঘোরার কোনো মানে নেই। পুরুষের পিরিয়ড হয় না যেমনটা নারীদের নাইট ফলস হয় না৷ পুরুষের যেমন ডিম্বাশয় নেই তেমনি নারীর শুক্রাশয় নেই। তাহলে এই ধরনের ছবি ক্লিক করিয়ে আমাদের নারীত্বে আঘাত করা কেন? বায়োলজিক্যালি সবাই আলাদা৷ এবার কি ছেলেরা প্যাড পরে প্যাড বিপ্লব করবে? এতে আমি একজন গর্বিত নারী হিসেবে অপমানিত হলাম। বড্ড বেশি অপমানিত হলাম। আমাদের ছোট করে দেখিয়ে আমাদের প্রতিমাসের শারীরিক কষ্টকে খিল্লির পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হল যা আমি মানতে পারলাম না। এভাবে প্যান্টে রং লাগিয়ে মেয়েদের অপমানটা না করলেই হত। আমরা জানি আমরা স্ট্রং, আমরা জানি আমরা লড়তে পারি, আমরা জানি আমাদের কিভাবে প্রতিবন্ধকতার মোকাবিলা করতে হবে, আমরা জানি আমরা বোঝাতে পারি রক্তের দাগ দেখে হাসার কিছু নেই। কেউ হাসলে আমরা কষিয়ে চড় মারতে পারি। আজকাল অনেক দোকানে স্যানিটারি ন্যাপকিন কালো প্যাকেটে মুড়ে দেওয়া হয় না। আজকাল কোনো শপিং মলেই কালো প্যাকেটে মুড়ে ন্যাপকিন দেওয়া নেই। ওপেন রাখা থাকে এবং সেখান থেকেই মেয়েরা কিনে নেয়। তারপরেও প্যান্টে এরকম আর্টিফিশিয়াল রং লাগিয়ে আমাদের অপমান কেন? কি প্রমাণ করার চেষ্টা হল এতে? পিরিয়ডের যন্ত্রনা খুব সোজা? প্রতিমাসের PMS সহ্য করা খুব সোজা? প্রতিমাসে পিরিয়ডের গন্ধ সহ্য করতে না পারা খুব সোজা? এভাবে নারীদিবস পালনে আমি সত্যিই অপমানিত হলাম। আপনারা যতই কমেন্ট জক্সে বিদ্রুপ করুন অপমানিত হওয়া নিয়ে আমি এবার সত্যিই ব্যথিত কারণ মেয়ে হিসেবে এই ধরনের পোস্ট আমি ডিজার্ভ করি না।
প্রতিবাদ করতে হলে কোনো মেয়ের প্যান্টেই দাগ লাগাত। একটার জায়গা দুটো মেয়ের প্যান্টে দাগ লাগানো যেত। কিন্তু পুরুষের প্যান্টে কেন? মেসেজ তো এভাবেও দেওয়া যেত যে কেউ হাসছে তাকে মেয়েটা দাগ নিয়ে উঠে গিয়ে মেরে দিল। Women Empowerment
এভাবে দেখানো হোক। সবসময় কেন মেয়েদের সহানূভূতির জায়গা রাখা হবে? আমরা সমানাধিকার চেয়েছি ভিক্ষা না। আমাদের ভিক্ষা বা সহানূভূতির জায়গায় রাখবেন না। রাখতে হলে সমানাধিকার দিয়ে সম্মানে রাখুন। আমরা এতটাও করুণার পাত্রী না যে এই ঠুনকো সহানূভূতির প্রয়োজন হবে আমাদের।
প্যান্টে দু বোতল রং ঢেলে মেয়েদের পিরিয়ডকে সম্মান না করে অপমান করে একটা গোটা জেন্ডারকে লোকটা অপমান করেছে। এদের এত সাহস হয় কিভাবে?

No comments:
Post a Comment