[ যদি সত্যিকারের হিন্দু হন, তাহলে
পোস্ট টা শেয়ার করে সবাইকে
দেখান আর সতর্ক হতে বলেন
]
রেহাই পাই নি শরীয়তপুরের হিন্দুরা।
কি শরীয়তপুরের হিন্দু মহল, দেখলেন
তোঁ!!!
কি ভেবেছেন আপনাদের উপর কেউ
হামলা করবে না? ফল পেলেন?
হাহাহাহাহাহাহাহা এইসব নিউজ
দেখে আমি বরাবরের মতই হাসি...
কিছু করার নেই, হিন্দু গুলারে একত্রিত
হতে বললে শুধু বলে জ্ঞান দেই, এইবার
দেইখা ল তোদের নিজের এলাকার
কাণ্ড।
হিন্দুদের একটা কমন দোষ হলঃ
কোন এক জায়গার হিন্দুদের উপর আক্রমন
হলে অন্য জায়গার হিন্দুরা বলে
আমাদের এইখানে এইসব হয় না,
আমাদের সকল কিছুই ঠিক আছে, আমরা
সুরক্ষিত।
কি রকমের যে সুরক্ষা কবজ নিয়ে আছেন
তা শরীয়তপুরের মন্দিরের প্রতিমা
ভাঙ্গার দৃশ্য দেখলেই বুঝা যায়।
আজ রাত ( শনিবার ) ১ঃ৩০ মিনিটে
মন্দিরের গেইট ভেঙ্গে শরীয়তপুর
জেলা সদরে (পালং) কেন্দ্রীয়
মন্দিরে জগদ্ধাত্রী প্রতিমা ও
লোকনাথ ব্রহ্মচারীর প্রতিমা সহ আরো
কিছু প্রতিমা ভাঙচুর করে এই লোক
( ছবি দেয়া আছে জানোয়ারটার )
একবার ভাবেন তো কি রকমের হিন্দু
বিদ্বেষী হলে সে রাতের বেলা
মন্দিরের প্রধান ফটক ভেঙ্গে মন্দিরে
ঢুকে প্রতিমা ভাঙ্গে।
আমাদের মন্দির গুলা কতটা সুরক্ষাহীন
থাকলে এই ঘটনা ঘটানো সম্ভব।
আপনার কি ধারনা যেই ব্যেক্তি এই
কাজ করেছে সে একা এসেছে?? এইটা
একটা চক্র। হিন্দু দমনের করাই হচ্ছে এদের
প্রধান কাজ। প্রতিমা ভাঙ্গা মন্দির
ভাঙ্গা এদের ধর্ম।
এই ঘটনা আজ নতুন কিছু না।
বাংলাদেশের প্রতিটি জায়গায় এই
ঘটনা ঘটছে। জেলা শহরের মন্দির গুলার
এই অবস্থা হলে গ্রামের দিকে যে কি
হবে তা আর ক্যালকুলেশন করে বের করে
দেখতে হবে না।
ঘটনা ঘটার পর পুলিশ এসে ওই
জানোয়ারটাকে নিয়ে গেছে। কি
ভাবছেন, পুলিশ ওদের আইনের আওতায়
নিয়ে গিয়ে ধোলাই দিবে?
আরে পাগলা বাংলাদেশ এমন একটা
দেশ যেই দেশে নবীকে নিয়ে গালি
বাঁ বাজে ভাষা লিখলে জেল হয়, খুন
হয়,বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়,
কিন্তু ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে নিয়ে গালি
বাঁ বাজে কিছু বললে কিছুই হয় না।
সুতরাং এর থেকে কি প্রমান পান ?
বিচার হবে না , উপর মহল থেকেই এই
ধ্বংস যজ্ঞের কাজ চালানো হয়েছে,
আবার উপর মহল থেকেই এই
জানোয়ারটাকে ছারিয়ে নিবে।
আমি আর বলব না যে হিন্দু ভাইয়েরা
তোমরা এক হউ। সংঘবদ্ধ হউ। প্রতিবাদ কর।
আমি একটাই কথা বলতে চাই , অনেক
তোঁ হইছে এইবার একটু বিবেকটাকে
নাড়া দে ভাই। আর কত!!!
ক দিন পর দেখবি তোদের ঘরের
প্রতিমা ( মা, দিদি, বউদি ) দের ধর্ষণ
করছে, তাও তোদের সামনে রেখে,
তখন ও কিছুই করতে পারবি না। কারন
তোরা অনেক ভদ্র। আর দাদারা একটু
ভদ্রই হয়, মান সম্মান বেশি তা না হলে
তোঁ সমাজের অমুক ভাইদের সাথে চলা
যাবে না, পা চাটা যাবে না,
সমাজের ওই ভাইটাই যে তোমাকে
পুটকি মেরে দিবে তা আর তুমি বুঝবে
না।
ধর্ম আমার, সুতরাং আমার গায়ে
লাগে। আমার অনেক বন্ধু বান্ধব আছে
যারা দেখে হয় তোঁ আমাকে বলবে,
কিরে তুই এইভাবে কথা বলিস কেন,
আমার একটাই প্রশ্ন তাঁদের কাছে
আচ্ছা তোদের ধর্মীয় স্থানে যদি আজ
কেউ আক্রমন করে তবে তোদের কেমন
লাগবে?
পরিশেষে বলার কিছু নাই, জাস্ট
বিবেকটাকে একটু নাড়া দে...
দয়া করে চুপ থাকিস না......
আর হা...
পোস্টটা শেয়ার দিবেন যদি পারেন,
যদি ভাবেন আমার আইডিতে নানা
ধর্মের লোক আছে , আমার ফ্রেন্ড
সার্কেল সবাই বিধর্মী, ওরা এই ধরনের
পোস্ট শেয়ার দিতে দেখলে কি
ভাব্বে...... ইত্যাদি।
তাঁদের কে বলি আচ্ছা, যদি আপনার
বিধর্মী কোন বন্ধুর ধর্মশালায় আজ
আক্রমন হয় তাহলে দেখবেন তাঁরা ওই
খবর টা দ্রুত ছড়িয়ে দিচ্ছে, কই তখন তোঁ
তাঁরা ভাবে না যে আমার একটা হিন্দু
বন্ধু আছে সে দেখলে কি মনে করবে...
সো মন থেকে এই সব নেকামি ছেড়ে
সংবাদ টা একটু শেয়ার করেন, যাতে
অন্য জায়গায় মন্দির প্রাঙ্গনের
কমিটিরা একটু সতর্ক হয়।
এই টুকু মেসেজ যদি আমরা শেয়ার করে
দিতে না পারি তাহলে আমরা
কিসের হিন্দু।
ভাল থাকুন সবাই
পোস্ট টা শেয়ার করে সবাইকে
দেখান আর সতর্ক হতে বলেন
]
রেহাই পাই নি শরীয়তপুরের হিন্দুরা।
কি শরীয়তপুরের হিন্দু মহল, দেখলেন
তোঁ!!!
কি ভেবেছেন আপনাদের উপর কেউ
হামলা করবে না? ফল পেলেন?
হাহাহাহাহাহাহাহা এইসব নিউজ
দেখে আমি বরাবরের মতই হাসি...
কিছু করার নেই, হিন্দু গুলারে একত্রিত
হতে বললে শুধু বলে জ্ঞান দেই, এইবার
দেইখা ল তোদের নিজের এলাকার
কাণ্ড।
হিন্দুদের একটা কমন দোষ হলঃ
কোন এক জায়গার হিন্দুদের উপর আক্রমন
হলে অন্য জায়গার হিন্দুরা বলে
আমাদের এইখানে এইসব হয় না,
আমাদের সকল কিছুই ঠিক আছে, আমরা
সুরক্ষিত।
কি রকমের যে সুরক্ষা কবজ নিয়ে আছেন
তা শরীয়তপুরের মন্দিরের প্রতিমা
ভাঙ্গার দৃশ্য দেখলেই বুঝা যায়।
আজ রাত ( শনিবার ) ১ঃ৩০ মিনিটে
মন্দিরের গেইট ভেঙ্গে শরীয়তপুর
জেলা সদরে (পালং) কেন্দ্রীয়
মন্দিরে জগদ্ধাত্রী প্রতিমা ও
লোকনাথ ব্রহ্মচারীর প্রতিমা সহ আরো
কিছু প্রতিমা ভাঙচুর করে এই লোক
( ছবি দেয়া আছে জানোয়ারটার )
একবার ভাবেন তো কি রকমের হিন্দু
বিদ্বেষী হলে সে রাতের বেলা
মন্দিরের প্রধান ফটক ভেঙ্গে মন্দিরে
ঢুকে প্রতিমা ভাঙ্গে।
আমাদের মন্দির গুলা কতটা সুরক্ষাহীন
থাকলে এই ঘটনা ঘটানো সম্ভব।
আপনার কি ধারনা যেই ব্যেক্তি এই
কাজ করেছে সে একা এসেছে?? এইটা
একটা চক্র। হিন্দু দমনের করাই হচ্ছে এদের
প্রধান কাজ। প্রতিমা ভাঙ্গা মন্দির
ভাঙ্গা এদের ধর্ম।
এই ঘটনা আজ নতুন কিছু না।
বাংলাদেশের প্রতিটি জায়গায় এই
ঘটনা ঘটছে। জেলা শহরের মন্দির গুলার
এই অবস্থা হলে গ্রামের দিকে যে কি
হবে তা আর ক্যালকুলেশন করে বের করে
দেখতে হবে না।
ঘটনা ঘটার পর পুলিশ এসে ওই
জানোয়ারটাকে নিয়ে গেছে। কি
ভাবছেন, পুলিশ ওদের আইনের আওতায়
নিয়ে গিয়ে ধোলাই দিবে?
আরে পাগলা বাংলাদেশ এমন একটা
দেশ যেই দেশে নবীকে নিয়ে গালি
বাঁ বাজে ভাষা লিখলে জেল হয়, খুন
হয়,বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়,
কিন্তু ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে নিয়ে গালি
বাঁ বাজে কিছু বললে কিছুই হয় না।
সুতরাং এর থেকে কি প্রমান পান ?
বিচার হবে না , উপর মহল থেকেই এই
ধ্বংস যজ্ঞের কাজ চালানো হয়েছে,
আবার উপর মহল থেকেই এই
জানোয়ারটাকে ছারিয়ে নিবে।
আমি আর বলব না যে হিন্দু ভাইয়েরা
তোমরা এক হউ। সংঘবদ্ধ হউ। প্রতিবাদ কর।
আমি একটাই কথা বলতে চাই , অনেক
তোঁ হইছে এইবার একটু বিবেকটাকে
নাড়া দে ভাই। আর কত!!!
ক দিন পর দেখবি তোদের ঘরের
প্রতিমা ( মা, দিদি, বউদি ) দের ধর্ষণ
করছে, তাও তোদের সামনে রেখে,
তখন ও কিছুই করতে পারবি না। কারন
তোরা অনেক ভদ্র। আর দাদারা একটু
ভদ্রই হয়, মান সম্মান বেশি তা না হলে
তোঁ সমাজের অমুক ভাইদের সাথে চলা
যাবে না, পা চাটা যাবে না,
সমাজের ওই ভাইটাই যে তোমাকে
পুটকি মেরে দিবে তা আর তুমি বুঝবে
না।
ধর্ম আমার, সুতরাং আমার গায়ে
লাগে। আমার অনেক বন্ধু বান্ধব আছে
যারা দেখে হয় তোঁ আমাকে বলবে,
কিরে তুই এইভাবে কথা বলিস কেন,
আমার একটাই প্রশ্ন তাঁদের কাছে
আচ্ছা তোদের ধর্মীয় স্থানে যদি আজ
কেউ আক্রমন করে তবে তোদের কেমন
লাগবে?
পরিশেষে বলার কিছু নাই, জাস্ট
বিবেকটাকে একটু নাড়া দে...
দয়া করে চুপ থাকিস না......
আর হা...
পোস্টটা শেয়ার দিবেন যদি পারেন,
যদি ভাবেন আমার আইডিতে নানা
ধর্মের লোক আছে , আমার ফ্রেন্ড
সার্কেল সবাই বিধর্মী, ওরা এই ধরনের
পোস্ট শেয়ার দিতে দেখলে কি
ভাব্বে...... ইত্যাদি।
তাঁদের কে বলি আচ্ছা, যদি আপনার
বিধর্মী কোন বন্ধুর ধর্মশালায় আজ
আক্রমন হয় তাহলে দেখবেন তাঁরা ওই
খবর টা দ্রুত ছড়িয়ে দিচ্ছে, কই তখন তোঁ
তাঁরা ভাবে না যে আমার একটা হিন্দু
বন্ধু আছে সে দেখলে কি মনে করবে...
সো মন থেকে এই সব নেকামি ছেড়ে
সংবাদ টা একটু শেয়ার করেন, যাতে
অন্য জায়গায় মন্দির প্রাঙ্গনের
কমিটিরা একটু সতর্ক হয়।
এই টুকু মেসেজ যদি আমরা শেয়ার করে
দিতে না পারি তাহলে আমরা
কিসের হিন্দু।
ভাল থাকুন সবাই


No comments:
Post a Comment